Photography no :- 6


Nature Photography বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements
Posted in Photography | Tagged | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

টাইটানিক জাহাজ ডুবার ইতিহাস


This slideshow requires JavaScript.

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে সর্বাধুনিক কারিগরি দক্ষতা এবং সরঞ্জাম নিয়ে তৈরি হওয়া বিশালাকৃতির “টাইটানিক” জাহাজটি যাত্রার চতুর্থ দিনের মাথায় কিভাবে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে গিয়েছিল, সে রহস্য এখনো আমাদের কাছ

ে অজানাই রয়ে গেছে। যদিও টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বিশ্ববাসীকে এক এক সময়ে এক এক তথ্য জানিয়েছেন কিন্তু তারা কেউই এ জাহাজ ডুবির কারণগুলো সম্পর্কে একমত হতে পারেন নি।
ফলে “টাইটানিক” আমাদের কাছে যেন কিংবদন্তীর মিথ। ‘টাইটান’ ছিল গ্রীক পুরানের সৃষ্টির শক্তিশালী দেবতা। যিনি শুধু সৃষ্টিই করেন। এই টাইটানের নাম অনুসারে জাহাজটির নাম রাখা হয়েছিল “টাইটানিক”। জাহাজটির আসল নাম ছিল, আর এম এস টাইটানিক। আর.এম.এস এর শব্দরূপ হচ্ছে রয়্যাল স্টিমার। সে হিসেবে জাহাজটি পুরো নাম দাড়ায় “রয়্যাল মেল স্টিমার টাইটানিক”। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানছিল হল্যাণ্ডের “হোয়াইট স্টার লাইন।” টাইটানিক তৈরিতে সে সময় খবর পরেছিল ৭৫ লাখ ডলার। বিস্তারিত পড়ুন
Posted in History | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Photography 5


This slideshow requires JavaScript.

Posted in Photography | Tagged | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

পটেটো চিপসের জন্মরহস্য


পটেটো চিপসের জন্মরহস্য

বিশ্বের অসংখ্য মুখরোচক খাবারের মধ্যে পটেটো চিপস অন্যতম । মুখে পুরে মচমচ ত্রক শব্দ হয়ে মিলিয়ে যায় মুখের ভেতরে । পুষ্টিকর হওয়ার শিশু তো বটেই, এটি মা – বাবাদের ও পছন্দ । কিন্ত এই উপাদের খাবারটি কীভাবে এলো, তা নিশ্চয়ই প্রশ্নের ব্যাপার । হয়তো পটেটো চিপসের অসাধারণ স্বাদ নিয়ে বন্ধুবান্ধবকে প্রশ্ন ও করেছেন, কে যে বানাইল এমন মজার খাবার ! খাবারটির মতোই মজার একটি গল্প আছে এটি তৈরি নিয়ে । আর সেটি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের এক হোটেলের বাবুর্চি ছিলেন সারাটোগা নামে এক ব্যক্তি । তিনি অতিথিদের জন্য এক রাতে আলু লম্বাভাবে চিকন করে কেটে তা দিয়ে একটি মেন্যু তৈরি করেন । কিন্ত তা অতিথিরা না খেয়ে ফেরত দেন এবং বাবুর্চিকে ভত্‍সনা করেন । তখন সারাটোগা সেগুলো তেল দিয়ে ভেজে মচমচে করে অতিথিদের সামনে দেন । তারা এতে খুব সন্তষ্ট হন এবং বাবুর্চির প্রশংসা করেন । এভাবেই ১৮৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম পটেটো চিপসের উদ্ভব হয় । তবে বাণিজ্যিকভাবে উত্‍পাদনের জন্য নিউইয়র্কে প্রথম ফ্যাক্টরি তৈরি করা হয় ১৯২৫ সালে ।

Posted in Information | Tagged | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান